রাজা ফার্দিনান্ড শুনলেন ফরাসি রাজকুমারী তীর সাথে দেখা করতে চান। সে কথায় ফার্দিনান্ড
নিজেই এলেন রাজকুমারীর সাথে দেখা করতে। রাজার ব্রত ঘাতে ভঙ্গ না হয় সেজন্য রাজকুমারী
আর তীর তিন সহচরী আগেভাগেই নিজেদের মুখে মুখোশ এঁটে নিলেন যাতে তাদের নারী বলে
(বোঝা নাযায়।
ফরাসি রাজকুমারীকে অভিবাদন জানিয়ে রাজা ফার্দিনান্ড এসে বসলেন তার মুখোমুখি । তাকে
পাল্টা অভিবাদন জানিয়ে রাজকুমারী শুরু করলেন কাজের কথা । ফরাসি রাজকুমারীকে আাকুইতেন
প্রদেশ ফিরিয়ে দেওয়া সম্পর্কে প্রয়োজনীয় কথা-বার্তা বলে বিদায় নিলেন রাজা ফার্দিনান্ড। এবার
এগিয়ে এসে রাজকুমারীর সহচরী রোজালিন আর ক্যাথারিনের সাথে যেচে আলাপ করলেন
রাজা ফার্দিনান্ডের অন্যতম বন্ধু লর্ড বিরাউন। তিনি চলে যাবার পর রাজকুমারীর আর এক
সহচরী মারিয়া তাকে উল্লেখ করলেন বিকারপ্রস্ত বলে।
একদিন ফরাসি রাজকুমারী তার তিন সহচরীর সাথে শিকারে বেরিয়েছেন, এমন সময় লর্ড
বিরাউনের বিদৃষক বস্টার্ড এসে তার হাতে একটি চিঠি দিয়ে বলল তার প্রভু এই চিঠিটা রোজালিনকে
দেবার জন্য পাঠিয়েছেন, মুখ আঁটা খামটা রাজকুমারী তার হাত থেকে নিলেন । খামটা খুলে চিঠি
পড়ে দেখলেন রাজকুমারী । সেটা একটা প্রেমপত্র-- জনৈক ডন আড্রিয়ানা আর্মাডো একটা প্রেমপত্র
লিখেছে জ্যাকুইনেতা নামে এক গ্রাম্য বালিকাকে। প্রেমপত্র পড়ে তার ভাষায় মুগ্ধ হয়ে গেলেন
রাজকুমারী । তিনি আবেগের সাথে সেটায় চুমো দিলেন। কিছুক্ষণ বাদে তিনি চিঠিটা ফিরিয়ে
দিলেন রোজালিনকে।
এদিকে তিন বন্ধুর কারও জানতে বাকি নেই ফরাসি রাজকন্যার প্রেমে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছেন
রাজা ফার্দিনান্ড। একইভাবে তারাও অস্থির হয়ে উঠেছেন রাজকুমারীর তিন সহচরীকে প্রেম
নিবেদন করার জন্য। হাতে লেখা চিঠি নিয়ে তারা হন্যে হয়ে বনের মাঝে খুঁজে বেড়াচ্ছেন
প্রেয়সীদের। একসময় তারা নিজেরাই ধরা পড়ে গেলেন ফার্দিনান্ডের হাতে। তারা তিনজনেই যে
প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছেন সে কথা স্বীকার করলেন তারা । সেই সাথে তিন লর্ড এও স্বীকার করলেন
যে নারীর মুখ না দেখা, সপ্তাহে একদিন উপোস করা এসব উদ্ভুট বিধি-নিষেধ আরোপ করে তারা
প্রতারণা করেছেন যৌবনের সাথে । তাদের সাথে রাজাও একবাক্যে স্বীকার করলেন নারীই পুরুষের
প্রেরণাদাত্রী, নারীই এনে দেয় পুরুষের পৌরুষত্ব। এবার ফরাসি রাজকুমারী ও তার তিন সহচরীর
মন জয় করতে তাদের রাশি রাশি দামি উপহার পাঠাতে লাগলেন ফার্দিনান্ড ও তার তিন লর্ড
কিন্ত রাজকুমারী ও তার তিন সহচরী একে নিছক মজা বলেই ধরে নিলেন। অনন্যোপায় হয়ে
রাজা ফার্দিনান্ড ও তার তিন লর্ড সরাসরি প্রেম নিবেদন করে বসলেন ফরাসি রাজকুমারী ও তার
তিন সহচরীকে। রাজকুমারী বললেন, নিজের শপথ ভেঙে রাজা যে অন্যায় করেছেন সে জন্য
তিনি তার প্রতি বিশ্বাস হারিয়েছেন। তিনি ফার্দিনান্ডকে বললেন বনে গিয়ে একটানা বারো মাস
কঠোর তপস্যা করতে। বারো মাস তপস্বী জীবন যাপন করার পরও যদি তার প্রেমের অনুভূতি
বজায় থাকে, তাহলে তিনি যেন ফিরে এসে তাকে নতৃনভাবে প্রেম নিবেদন করেন। রাজকুমারী
কথা দিলেন তখন তিনি তার ডাকে সাড়া দিয়ে তাকে গ্রহণ করবেণ। রাজকুমারী আরও বললেন
ইতিমধ্যে তার বাবা মারা গিয়েছেন। এই বারোমাস তিনি এক নির্জন ঘরে নিজেকে আটকিয়ে
রেখে পিতৃশোক পালন করবেন।
নিজেই এলেন রাজকুমারীর সাথে দেখা করতে। রাজার ব্রত ঘাতে ভঙ্গ না হয় সেজন্য রাজকুমারী
আর তীর তিন সহচরী আগেভাগেই নিজেদের মুখে মুখোশ এঁটে নিলেন যাতে তাদের নারী বলে
(বোঝা নাযায়।
ফরাসি রাজকুমারীকে অভিবাদন জানিয়ে রাজা ফার্দিনান্ড এসে বসলেন তার মুখোমুখি । তাকে
পাল্টা অভিবাদন জানিয়ে রাজকুমারী শুরু করলেন কাজের কথা । ফরাসি রাজকুমারীকে আাকুইতেন
প্রদেশ ফিরিয়ে দেওয়া সম্পর্কে প্রয়োজনীয় কথা-বার্তা বলে বিদায় নিলেন রাজা ফার্দিনান্ড। এবার
এগিয়ে এসে রাজকুমারীর সহচরী রোজালিন আর ক্যাথারিনের সাথে যেচে আলাপ করলেন
রাজা ফার্দিনান্ডের অন্যতম বন্ধু লর্ড বিরাউন। তিনি চলে যাবার পর রাজকুমারীর আর এক
সহচরী মারিয়া তাকে উল্লেখ করলেন বিকারপ্রস্ত বলে।
একদিন ফরাসি রাজকুমারী তার তিন সহচরীর সাথে শিকারে বেরিয়েছেন, এমন সময় লর্ড
বিরাউনের বিদৃষক বস্টার্ড এসে তার হাতে একটি চিঠি দিয়ে বলল তার প্রভু এই চিঠিটা রোজালিনকে
দেবার জন্য পাঠিয়েছেন, মুখ আঁটা খামটা রাজকুমারী তার হাত থেকে নিলেন । খামটা খুলে চিঠি
পড়ে দেখলেন রাজকুমারী । সেটা একটা প্রেমপত্র-- জনৈক ডন আড্রিয়ানা আর্মাডো একটা প্রেমপত্র
লিখেছে জ্যাকুইনেতা নামে এক গ্রাম্য বালিকাকে। প্রেমপত্র পড়ে তার ভাষায় মুগ্ধ হয়ে গেলেন
রাজকুমারী । তিনি আবেগের সাথে সেটায় চুমো দিলেন। কিছুক্ষণ বাদে তিনি চিঠিটা ফিরিয়ে
দিলেন রোজালিনকে।
এদিকে তিন বন্ধুর কারও জানতে বাকি নেই ফরাসি রাজকন্যার প্রেমে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছেন
রাজা ফার্দিনান্ড। একইভাবে তারাও অস্থির হয়ে উঠেছেন রাজকুমারীর তিন সহচরীকে প্রেম
নিবেদন করার জন্য। হাতে লেখা চিঠি নিয়ে তারা হন্যে হয়ে বনের মাঝে খুঁজে বেড়াচ্ছেন
প্রেয়সীদের। একসময় তারা নিজেরাই ধরা পড়ে গেলেন ফার্দিনান্ডের হাতে। তারা তিনজনেই যে
প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছেন সে কথা স্বীকার করলেন তারা । সেই সাথে তিন লর্ড এও স্বীকার করলেন
যে নারীর মুখ না দেখা, সপ্তাহে একদিন উপোস করা এসব উদ্ভুট বিধি-নিষেধ আরোপ করে তারা
প্রতারণা করেছেন যৌবনের সাথে । তাদের সাথে রাজাও একবাক্যে স্বীকার করলেন নারীই পুরুষের
প্রেরণাদাত্রী, নারীই এনে দেয় পুরুষের পৌরুষত্ব। এবার ফরাসি রাজকুমারী ও তার তিন সহচরীর
মন জয় করতে তাদের রাশি রাশি দামি উপহার পাঠাতে লাগলেন ফার্দিনান্ড ও তার তিন লর্ড
কিন্ত রাজকুমারী ও তার তিন সহচরী একে নিছক মজা বলেই ধরে নিলেন। অনন্যোপায় হয়ে
রাজা ফার্দিনান্ড ও তার তিন লর্ড সরাসরি প্রেম নিবেদন করে বসলেন ফরাসি রাজকুমারী ও তার
তিন সহচরীকে। রাজকুমারী বললেন, নিজের শপথ ভেঙে রাজা যে অন্যায় করেছেন সে জন্য
তিনি তার প্রতি বিশ্বাস হারিয়েছেন। তিনি ফার্দিনান্ডকে বললেন বনে গিয়ে একটানা বারো মাস
কঠোর তপস্যা করতে। বারো মাস তপস্বী জীবন যাপন করার পরও যদি তার প্রেমের অনুভূতি
বজায় থাকে, তাহলে তিনি যেন ফিরে এসে তাকে নতৃনভাবে প্রেম নিবেদন করেন। রাজকুমারী
কথা দিলেন তখন তিনি তার ডাকে সাড়া দিয়ে তাকে গ্রহণ করবেণ। রাজকুমারী আরও বললেন
ইতিমধ্যে তার বাবা মারা গিয়েছেন। এই বারোমাস তিনি এক নির্জন ঘরে নিজেকে আটকিয়ে
রেখে পিতৃশোক পালন করবেন।




